ডিপ্লোমা -ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রম প্রবিধান, ২০১০
১. নাম ও কাঠামো
১.১ বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের প্রকৌশল ডিপে−ামা স্তরের শিক্ষাক্রমের নাম হবে ‘‘ডিপে−ামা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং’’।
১.২ এ শিক্ষাক্রমের মেয়াদ হবে ৪বছর (৮ সেমিস্টার)।
(ক) ৭(সাত) সেমিস্টার (পর্ব) সংশি−ষ্ট ইন্সটিটিউটে/প্রতিষ্ঠানে পরিচালিত হবে। এবং
(খ) ইন্ডাষ্ট্রিয়াল ট্রেনিং ৮ম পর্বে শিল্প কারখানায় এবং সংশি−ষ্ট প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হবে।
১.৩ এ প্রবিধান বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের একাডেমিক নিয়ন্ত্রণাধীন সকল সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিচালিত
ডিপে−ামা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রমে ২০১০-২০১১ শিক্ষাবর্ষ হতে ভর্তিকৃত ছাত্রছাত্রীদের জন্য কার্যকর হবে।
১.৪ সকল টেকনোলজির পাঠ্যসূচি (সিলেবাস) বিন্যাসে পাঠ্য বিষয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক অংশের সাপ্তাহিক ক্লাশের সংখ্যা যথাক্রমে ঞ
(থিওরি) ও চ (প্রাকটিক্যাল) দ্বারা বুঝানো হবে এবং প্রতি এক পিরিয়ডের তত্ত্বীয় ক্লাস এক ক্রেডিট-আওয়ার ও প্রতি তিন
পিরিয়ডের ব্যবহারিক ক্লাস এক ক্রেডিট-আওয়ার দ্বারা নির্ধারিত হবে। তবে বাংলা, ইংরেজি ও ফিজিক্যাল এডুকেশন বিষয়ের দুই
পিরিয়ডের ব্যবহারিক ক্লাশ এক ক্রেডিট-আওয়ার দ্বারা নির্ধারিত হবে। এক পিরিয়ডের সময়সীমা হবে ৫০ মিনিট। এক ক্রেডিটআওয়াে
রর মান হবে ৫০ নম্বর। প্রতি বিষয়ের জন্য বিষয় কোড তার বাম পার্শে¦ লিখিত থাকবে। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড
কর্তৃক অনুমোদিত ডিপে−ামা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রমের বিষয়বস্তুর নম্বর বিন্যাস অনুযায়ী এ প্রবিধান প্রযোজ্য হবে।
১.৫ শিক্ষাক্রম কাঠামোতে কোন টেকনোলজির বিষয়/বিষয়সমূহে পরিবর্তন ও নবায়ন এবং কাঠামোর তালিকায় নতুন বিষয়/বিষয়বস্তু
সংযোজন এবং চাহিদা নেই এরূপ বিষয়/ বিষয়বস্তু প্রত্যাহার করার পদক্ষেপ বোর্ড গ্রহণ করতে পারবে।
১.৬ প্রতি পর্বের শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের মেয়াদ হবে ১৬ কার্য সপ্তাহ। প্রতি কার্য সপ্তাহে ৩৬-৪২ পিরিয়ড অনুষ্ঠিত হবে।
১.৭ যে কোন ইন্সটিটিউটে/প্রতিষ্ঠানে স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিতে বোর্ডের অনুমোদনক্রমে ডিপে−ামা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রমের নতুন
টেকনোলজি প্রবর্তন করতে পারবে। এরূপ ক্ষেত্রে উক্ত টেকনোলজির ক্রেডিট ও সময়সীমা প্রচলিত শিক্ষাক্রমের অনুরূপ হতে হবে।
১.৮ কৃতকার্য ছাত্রছাত্রীদের সনদপত্র প্রদানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ডিপে−ামা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রমের (সকল
টেকনোলজির) মূল্যায়ন প্রক্রিয়া ও গুরুত্ব নিমড়বরূপ হবে।
১.৮.১ গ্রেডিং পদ্ধতি (ঞযব এৎধফরহম ঝুংঃবস)
প্রতি সেমিস্টারে একজন ছাত্রছাত্রী প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে লেটার গ্রেড এবং তার বিপরীতে গ্রেড পয়েন্ট (এচ) অর্জন করবে।
নিমড়ববর্ণিত নিয়মে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে লেটার গ্রেড এবং তার বিপরীতে গ্রেড পয়েন্ট প্রদান করা হবে।
প্রাপ্ত নম্বর লেটার গ্রেড গ্রেড পয়েন্ট (এচ)
৮০% এবং তার উপর অ+ ৪.০০
৭৫% থেকে ৮০% এর নিচে অ ৩.৭৫
৭০% থেকে ৭৫% এর নিচে অ- ৩.৫০
৬৫% থেকে ৭০% এর নিচে ই+ ৩.২৫
৬০% থেকে ৬৫% এর নিচে ই ৩.০০
৫৫% থেকে ৬০% এর নিচে ই- ২.৭৫
৫০% থেকে ৫৫% এর নিচে ঈ+ ২.৫০
৪৫% থেকে ৫০% এর নিচে ঈ ২.২৫
৪০% থেকে ৪৫% এর নিচে উ ২.০০
৪০% এর নিচে ঋ ০.০০
নিচের লিংক হতে বাকী অংশ ডাউনলোড করে পড়ুন।
Download pdf file full