Read more...
রোমাঞ্চকর ও ঝুঁকিপূর্ন পেশা তিমি শিকার
খুব বেশি দিন আগের কথা নয় ১৮০০ সালেও মহাসাগরগুলোর বুকে তিমি শিকারি জাহাজগুলো ঘুরে বেড়াত। সভ্যতার পালাবদলে এখন আর আগের সেই পালতোলা কাঠের জাহাজ আর হাত দিয়ে নিক্ষেপ করার হার্পুন দেখা না গেলেও আধুনিক জাহাজে যন্ত্রচালিত হার্পুনদিয়ে এখনও কিছু তিমি শিকার করা হয়। আগে তিমির তেলে তৈরি হত মোমবাতি। তেলের ব্যবসার জন্য শিকার করা হত ঝাঁকে ঝাঁকে তিমি।
স্পার্ম তিমি
পালতোলা জাহাজে হস্তনিক্ষিপ্ত হার্পুন দিয়ে তিমি শিকার অভিযান ছিল রোমান্সকর, উত্তেজনাপূর্ন আর বিপজ্জনকতো বটেই। শিকারে বেরিয়ে এক একটি জাহাজ ৫-৬ মাস এমনকি কয়েক বছরও সাগরে কাটিয়ে দিত। এরপর একদিন ফিরে আসত যেখান থেকে যাত্রা শুরু করেছিল সেই মূল বন্দর এ।
তিমি শিকার এ বেরুনোর আগের মূহুর্তগুলো খুবই ঝামেলার মধ্য দিয়ে কাটে। সাগরের বুকে দীর্ঘদিন কাটানোর জন্য সব ধরনের জিনিসপত্র সাথে নিতে হয়। জাহাজকেও মেরামত করে দীর্ঘ যাত্রার উপযোগী করে তোলা হয়। এগুলো করতে কেটে যায় অনেক দিন। এরপর সুবিধামত একদিন বন্দর ত্যাগ করে জাহাজ। শুরু হয় তিমির পিছনে ছুটে চলার শ্বাসরুদ্ধকর ক্লান্তিহীন যাত্রা।
জাহাজ বন্দর ত্যাগ করার সাথে সাথে একজন লোক তুলে দেয়া হয় জাহাজের মাস্টহেড এ। মাস্টহেড হল জাহাজের মাস্তুলের সাথে ঝোলানো একরকম ঝুড়ির মত। জাহাজের ডেক থেকে অনেক উপরে মাস্টহেড এ বসে তিমির প্রতি নজর রাখা হয়। মাস্টহেড থেকে সংকেত দেয়া হলে নির্দিস্ট দিকে তিমির পেছনে ছুটতে থাকে জাহাজ।
বন্দর থেকে বেরিয়ে এসে দুই-একদিন সাগরে ঘুরলেই যে কয়েকটা তিমির দেখা পাওয়া যাবে এমনি সাধারনত ঘটে না। অনেক সময় দেখা যায় দীর্ঘদিন ঘুরার পরও কোন তিমি চোখে পড়ে না। মূলত তিমির খাবার থাকে যেখানে সেখানেই সাধারনত তিমির দেখা পাওয়া যায় বেশি। আর তিমি শিকারিরা সেদিকেই তাদের জাহাজ ছোটায়।
এরপর হয়ত দেখা পাওয়া যায় এক ঝাঁক তিমির। মাস্টহেড থেকে চেঁচিয়ে ওঠে ক্রু এবং দিক নির্দেশনা দেয়। কখনোবা জাহাজের কাছাকাছি ভেসে ওঠে তিমি। তখন ডেকে দাঁড়ানো নাবিকরাই প্রথমে তিমি দেখতে পায়। তিমির কাছাকাছি গিয়ে জাহাজের গতি কমানো হয়। এরপর জাহাজ থেকে নামানো হয় ছোট কয়েকটি নৌকা। প্রতিটি নৌকায় প্রধানত দুইজন ব্যাক্তি থাকে। একজন প্রধান তিমি শিকারি, আর আরেক জন হার্পুনার। এছাড়াও কয়েকজন থাকে নৌকা এগিয়ে নেয়ার জন্য। হার্পুনার হল যে ব্যাক্তি তিমির দিকে হার্পূন ছুঁড়ে মারে আর প্রধান শিকারি হাল ধরে এবং নির্দেশনা দেয়। তীব্র চিৎকার চেঁচামেচি করে হার্পুনাররা ছুটন্ত তিমিটিকে ঘাবড়ে দেয়ার চেস্টা করে। এরপর সুবিধামত সময়ে ছুঁড়ে মারা হয় হার্পুন।
হার্পুন
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একবারের নিক্ষেপে তিমির মত বিশাল আকৃতির প্রানীকে মারা সম্ভব হয় না। তাই কয়েকটি হার্পুন নিক্ষেপ করা। অনেক সময় হার্পুন বিদ্ধ অবস্থায় তিমি পালিয়ে যায়। আর সঠিকভাবে কয়েকটি হার্পুন নিক্ষেপ করতে পারলে মারাও যায়। এরপর শুরু হয় মৃত তিমিকে বাঁধার কাজ। এটা করতে প্রায় ১০-১৫ জন লোক প্রয়োজন হয়। বাঁধা শেষ হলে তিমিকে টেনে জাহাজের কাছে নিয়ে আসা হয় এবং মাথা আলাদা করে শরীরের অংশটুকু ফেলে দেয়া হয়। কি ভাবছেন ?? মূল দেহ ফেলে দিলে তেল পাওয়া যায় কোথায় ? আসলে তিমির মাথাতেই থাকে তেল।
মানুষ এবং তিমির আকৃতির তুলনামূলক চিত্র
তেল এর জন্য সাধারনত স্পার্ম তিমি শিকার করা হয়। কারন এর বিশাল মাথায় থাকে উন্নত মানের তেল। বিশাল আকৃতির তিমির মাথা কাটা সহজ কথা নয়। দেহ থেকে মাথা কেটে আলাদা করার জন্য শুরুতেই ১০-১২ ইঞ্চি পুরু চামড়া কাটতে হয়। এই চামড়াকে বলা হয় ব্লাবার। তিমির মাথা সাধারনত জাহাজের পাশে পানিতে রেখেই কাটা হয়। এই সময় মাথার অর্ধেক ডুবে থাকে পানিতে। তিমির মাথার আকৃতি একটু অদ্ভুত। এর চোয়াল থাকে মাথার নিচের দিকে। আর স্পাউটের ফুটো রয়েছে মাথার উপরে আর চোখ ও কান দুপাশে। তিমির মাথা তাদের শরীরের তুলনায় বিশাল আকৃতির হয়। প্রাপ্ত বয়স্ক স্পার্ম তিমি অথবা নীল তিমির মাথা বিশ ফুটের বেশি বড় হয়। আর এই বিশাল আকৃতির মাথার ভেতরেই থাকে চমৎকার তেল। হাতলওলা ধারাল কুড়াল নিয়ে তিমির মাথায় নেমে পড়ে কোন একজন হোয়েল ম্যান। এরপর মাথায় একটা গর্ত করে বালতি দিয়ে তোলা হয় তিমির তেল। কাঁচা দুধের মত দেখতে এই পদার্থের নাম স্পার্মাসেটি যেটিকে আমরা তিমির তেল বলে জানি। ছোট ছোট বালতিতে করে স্পার্মাসেটি তুলে ঢালা হয় বড় একটি বালতিতে। এরপর এই বালতি জাহাজের ডেকে তুলে নিয়ে বড় আকৃতির পিপেতে ভরে রাখা হয়।
একটা তিমির তেল সংগ্রহ করার কাজ শেষ হলে শুরু হয় আরেকটির সন্ধান। তিমি শিকার করতে গিয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনারও শিকার হোত অনেক জাহাজ। হোয়েলম্যানদের ছোট নৌকাগুলো তিমির কাছাকাছি গেলে অনেক সময় তিমির লেজের বাড়িতে ভেঙ্গে চৌরির হয়ে যেত।
হোয়েল লাইনের সংগে জড়িয়ে গিয়েও অনেক নাবিক মারা যায়। সবচেয়ে বড় দূর্ঘটনা যেটি ঘটতে পারে যদি তিমি পালিয়ে যাবার বদলে গোটা জাহাজকে আক্রমন করে। আর দল বেঁধে আক্রমন করলে সেই জাহাজের তীরে ফিরে আসার সম্ভাবনা একেবারেই কম।
তিমির লেজ
এইতো গেল আগেকার দিনের তিমি শিকারের কথা। আধুনিক যুগে যন্ত্রনিক্ষিপ্ত হার্পুন দিয়েও তিমি শিকার করা হয়। তবে এখন আর ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে তিমি শিকার করা হয় না। আগের মত তিমি শিকার চলতে থাকলে এতদিনে হয়ত আরও অনেক প্রানীর মত তিমিও বিলুপ্ত হয়ে যেত এই পৃথিবী থে
Lakshmipur Polytechnic Institute ,Laksmipur Result
Lakshmipur Polytechnic Institute ,Laksmipur Result
It is to be notified all concerned that roll numbers who have passed in all subjects in the 2nd and/or 4th Semester Supplementary Examination of DIPLOMA IN ENGINEERING, 2010
held in February - April, 2010 are listed below in accordance with the notification no BTEB (EX-2)/585(Part-4)/398 dated 20-06-2010 in regulation of the board.
722370 722371 732258 753053
822232 822233 822234 851900
851902 851903 851907 851908
851910 851913 851914 851915
851916 851919 851921 851923
851933 851934 851942 851944
2010 held in February - April, 2010 are listed below in accordance with the notification no BTEB (EX-2)/585(Part-4)/398 dated 20-06-2010 in regulation of the board. The roll numbers
are listed under the respective subject in which the corresponding student has failed.
713706 { 2744 (T) } 713711 { 2744 (T) } 722356 { 1441 (T) } 722358 { 2442 (T) }
732256 { 2840 (T) } 753034 { 2442 (T), 2447 (T) } 851938 { 2443 (T) }
67016 - Lakshmipur Polytechnic Institute ,Laksmipur
It is to be notified all concerned that roll numbers who have passed in all subjects in the 2nd Semester Supplementary Examination of DIPLOMA IN ENGINEERING, 2010 held in
February - April, 2010 are listed below in accordance with the notification no BTEB (EX-2)/585(Part-4)/398 dated 20-06-2010 in regulation of the board.
813013 914687 914688 914690
914693 914694 914696 914700
914701 914705 914706 914708
922226 922227 922229 922231
922232 922233 922234 922235
922236 922237 922238 922240
922241 922242 922243 922244
922245 922250 922251 922252
922253 922254 922256 922259
922260 922261 922264 922265
922266 932963 932964 932967
932970 932975 932976 932977
932978 932979 932985 932986
932988 932989 932990 932991
932993 932994 932995 932996
932997 932999 933003 953845
953846 953849 953851 953856
953858 953859 953861 953862
953863 953865 953866 953869
953876 953877 953879 953880
953883 953884 953886 953888
It is to be notified all concerned that roll numbers who have failed in one or more subjects in the 2nd Semester Supplementary Examination of DIPLOMA IN ENGINEERING, 2010 held
in February - April, 2010 are listed below in accordance with the notification no BTEB (EX-2)/585(Part-4)/398 dated 20-06-2010 in regulation of the board. The roll numbers are listed
under the respective subject in which the corresponding student has failed. These examinees are permitted to appear in the examination of the respective subjects in the next Semester
board final examination together with the specified subjects of the Semester.
851920 { 1122 (T) } 851940 { 2823 (T) } 914677 { 2811 (T) } 914680 { 2811 (T) }
914682 { 2811 (T) } 914686 { 2811 (T) } 914689 { 2811 (T) } 914691 { 2622 (T), 1123 (T) }
914692 { 2811 (T), 1422 (T), 2725 (T) } 914698 { 2811 (T) } 914699 { 2811 (T) } 914702 { 2811 (T), 2725 (T) }
914703 { 1421 (T) } 914704 { 2811 (T), 1422 (T), 1421 (T),
2622 (T) }
914707 { 1422 (T) } 914710 { 2811 (T), 1422 (T), 2725 (T),
2622 (T) }
914712 { 2811 (T), 1421 (T) } 914713 { 1122 (T), 2811 (T), 1421 (T) } 914714 { 2811 (T) } 922247 { 1422 (T), 1122 (T), 1421 (T) }
922248 { 1122 (T) } 922249 { 2423 (T), 1422 (T), 1421 (T) } 922255 { 2423 (T), 1421 (T) } 922257 { 1122 (T) }
922262 { 1122 (T), 1421 (T) } 922263 { 1122 (T), 1421 (T) } 922268 { 1422 (T) } 932966 { 2822 (T) }
932969 { 2821 (T) } 932973 { 1421 (T), 2726 (T,P), 2822
(T,P), 1412 (T,P) }
932974 { 1421 (T) } 932980 { 2822 (T) }
932982 { 1421 (T), 1412 (T) } 932987 { 2822 (T), 1421 (T), 1122 (T),
2821 (T) }
953847 { 2823 (T), 1421 (T) } 953850 { 1421 (T) }
953870 { 2823 (T), 1421 (T) } 953871 { 2823 (T) } 953874 { 2823 (T) }
সরকারি সকল পলিটেকনিক কলেজ গুলোতে ভর্তির অনলাইন এডমিশন
পলিটেকনিক কলেজ গুলোতে ভর্তির অনলাইন এডমিশন এর জন্য নিচের ছবি তে ক্লিক করবেন।

১. ভর্তির জন্য মোট আসন সংখ্যার সমসংখ্যক একটি মূল তালিকা এবং একটি অপেক্ষমান তালিকা মেধা ও কোটা অনুসারে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
২. মূল তালিকা থেকে ভর্তির জন্য নির্ধারিত সময় সীমার মধ্যে আসন সংখ্যা পূরণ না হলে ভর্তিকৃত ছাত্র-ছাত্রীদের তাদের মেধা ও পছন্দের ক্রমানুসারে মাইগ্রেশনের (প্রতিষ্ঠান-টেকনোলজি) সুযোগ দিয়ে শূন্য আসনে অপেক্ষমান তালিকা হতে সময় সূচী অনুযায়ী কোটা ও মেধার ক্রমানুসারে ভর্তি করা হবে।
৩. কোটা সংরক্ষণঃ মহিলা -১০% আসন, এসএসসি(ভোক)-১৫% আসন, উপজাতি-ঢাকা,চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ –সুইডেন পলিটেকনিক ইনিষ্টিটিউটের প্রতিটিতে ৪ টি করে আসন ও অন্যান্য পলিটেকনিক ইনিষ্টিটিউটে ২ টি করে আসন এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের প্রতি টেকনোলজিতে প্রতি গ্রুপে ২ টি করে আসন এ মেধা ও আবেদন ফরমে বর্ণিত পছন্দের ভিত্তিতে কোটা সংরক্ষণ করে ভর্তি করা হবে।
২ বছর মেয়াদী ট্রেড কোর্স পাশ প্রার্থীদের জন্য লিখিত পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের সাথে ট্রেড এবং এসএসসি উভয় পরীক্ষায় প্রাপ্ত মোট নম্বরকে ৫০ এর মধ্যে রুপান্তর করে মেধা নির্ধারণ করা হবে। তাদেরকে ট্রেড সংশ্লিষ্ট টেকনোলজিতে ৫% সংরক্ষিত আসনে ভর্তি করা হবে।
৪. উপজাতি প্রার্থীদের উপজাতিয়তা প্রমানের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভার চেয়ারম্যান কতৃক প্রদত্ত সনদ পত্র, মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের কোটার জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর স্বাক্ষরিত সনদ পত্র এবং ২ বছর মেয়াদী ট্রেড কোর্সধারীদের সনদ পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি সহ ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্রের কপি নিকট বর্তী যে কোন পলিটেকনিক ইনিষ্টিটিউটের অধ্যক্ষের অফিসে ২২/০৭/২০১০ ইং তারিখের মধ্যে জমা দিতে হবে ।
(সংরক্ষিত আসন কোটা ভিত্তিক পূরণের পর কোন আসন শূন্য থাকলে তা সাধারন মেধা তালিকা হতে পূরণ করা হবে)
১০. আবেদনকারী নতুন হলে new Application button এ click করবে।
১১. টাইপ Roll Number, Select Board Name, Select Passing year, Date of Birth তারপর verify Button এ Click করতে হবে। [ যদি আবেদনকারী জিপিএ ৩ এর বেশি এবং সাধারণ গনিত অথবা উচ্চতর গনিত এ জিপি ৩ এর বেশি হয় তাহলে আবেদনকারীর বিস্তারিত তথ্য নীচে প্রদর্শিত হবে।]
১২. বাধ্যতামূলক ফিল্ডগুলো (*) অবশ্যই পূরন করতে হবে ।
১৩. আবেদনকারী যদি একাধিক কোটাভূক্ত হয় তাহলে একাধিক কোটা Select করতে পারবেন।
১৪. সকল তথ্য সঠিক হওয়া সত্তেও আবেদন করতে অক্ষম হলে হেল্প লাইন এর প্রর্দশিত নাম্বারে অথবা ই-মেইলে যোগাযোগ করতে পারবেন।
১৫. আবেদনকারী সর্বোচ্চ দশটা Institute এর দশটা Department চয়েস করতে পারবেন।
১৬. আবেদনকারী একটি Institute এর মধ্যে দশটা Department অথবা একটি Institute এর কয়েকটি Department অথবা ভিন্ন Institute এর ভিন্ন Department চয়েস করতে পারবেন।
১৭. আবেদনকারী Choice Button এ Click করলে Institute এর নাম আসবে , Institute Select করলে এই Institute এর Department প্রদর্শিত হবে, চয়েস অনুযায়ী Student select করবেন এবং Save Choice এ অবশ্যই Click করতে হবে।Similarly Choice -2 Radio button করে ভিন্ন চয়েস করতে পারবেন।
১৮. আবেদনকারী চয়েস শেষ হয়ে গেলে Submit Button এ Click করতে হবে । তারপর Feedback form প্রদর্শিত হবে । যদি সব কিছু ঠিক থাকে তাহলে আবেদনকারী Save the form এ Click করবেন।
১৯. আবেদনকারীকে অবশ্যই Tracing ID টা নোট করে রাখতে হবে, কারণ এই Tracing ID টা পরবর্তীতে Written Test Admid card/Seat plan এ ব্যাবহার করতে হবে।
২০. ফরম Submit করার পর আবেদনকারী যদি তথ্য আপডেট করতে চান, তাহলে Apply online থেকে update Submitted form এ click করতে হবে এবং Tracing ID দিয়ে আবেদনকারী শুধু মাত্র একবার তথ্য আপডেট করতে পারবেন।
২১. ভর্তি পরীক্ষার বিস্তারিত তথ্য/ প্রবেশ পত্র, "ভর্তি পরীক্ষার আসন তথ্য" tab থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন Tracing ID ব্যাবহার করে।
২২. ছবির সর্বোচ্চ সাইজ ১৫০ kb এবং সর্বোচ্চ প্রস্থ, উচ্চতা যথাক্রমে ৩০০, ৩৬০ হতে হবে।
চট্রগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট টেকনোলজিআসন সংখ্যা সিভিল৮০ ইলেকট্রিক্যাল৮০ মেকানিক্যাল৮০ এনভায়নমেন্টাল৪০ পাওয়ার (অটো)৪০ ইলেকট্রনিক্স৪০ কম্পিউটার৪০
Read more...
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর
এফ-৪/বি, আগারগাঁও প্রশাসনিক এলাকা, শেরে বাংলানগর, ঢাকা-১২০৭ ।
ওয়েব সাইট- www.techedu.gov.bd
২০১০-২০১১ শিক্ষাবর্ষে সরকারি পলিটেকনিক / সমমানের প্রতিষ্ঠানসমূহে ডিপ্লোমা ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং / সমমান শিক্ষাক্রমে
ছাত্রছাত্রী ভর্তির বিজ্ঞপ্তি
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর
এফ-৪/বি, আগারগাঁও প্রশাসনিক এলাকা, শেরে বাংলানগর, ঢাকা-১২০৭ ।
ওয়েব সাইট- www.techedu.gov.bd
২০১০-২০১১ শিক্ষাবর্ষে সরকারি পলিটেকনিক / সমমানের প্রতিষ্ঠানসমূহে ডিপ্লোমা ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং / সমমান শিক্ষাক্রমে
ছাত্রছাত্রী ভর্তির বিজ্ঞপ্তি
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন সরকারি পলিটেকনিক / সমমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৪ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং / সমমান শিক্ষাক্রমে ২০১০-২০১১ শিক্ষাবর্ষে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে উল্লিখিত টেকনোলজি ও আসন সংখ্যা অনুযায়ী ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির জন্য অন-লাইনে নির্ধারিত ফরমে দরখাস্ত আহবান করা যাচ্ছে । ভর্তি কার্যক্রম কেন্দ্রীয়ভাবে অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালনা করা হবে ।
ভর্তি কর্মসূচিঃ
ভর্তি কর্মসূচিঃ
অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণের সময়সীমা | বৈধ প্রার্থীদের তালিকা (পরীক্ষা কেন্দ্রের নামসহ) ওয়েবসাইটে প্রকাশ | ওয়েবসাইটে বৈধ প্রার্থীদের প্রবেশপত্র সংগ্রহের তারিখ | লিখিত পরীক্ষার তারিখ ও সময় | ওয়েবসাইটে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ | ভর্তির সময়সীমা | ক্লাশ শুরুর তারিখ | |
মূল মেধাতালিকা | অপেক্ষমান তালিকা | ||||||
২০/৬/২০১০ (দুপুর ১২টা) হতে ১০/৭ ২০১০ (রাত ১২টা পর্যন্ত) | ১৩/৭/২০১০ | ১৪/৭/২০১০ হতে ২২/৭/২০১০ | ২৩/৭/২০১০ শুক্রবার সকাল ১০.০০ ঘটিকা | ২৯/৭/২০১০ | ১/৮/২০১০ হতে ৮/৮/২০১০ | ১১/৮/২০১০ হতে ২৬/৮/২০১০ | ২/১০/২০১০ |
ভর্তির যোগ্যতাঃ
২০১০, ২০০৯, ২০০৮ সনে এস.এস.সি/ সমমান পরীক্ষায় সাধারণ গণিত বা উচ্চতর গণিতে কমপক্ষে জিপি ৩.০০ সহ নুন্যতম ৩.০০ জিপিএ প্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীরা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে ।
২০১০, ২০০৯, ২০০৮ সনে এস.এস.সি/ সমমান পরীক্ষায় সাধারণ গণিত বা উচ্চতর গণিতে কমপক্ষে জিপি ৩.০০ সহ নুন্যতম ৩.০০ জিপিএ প্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীরা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে ।
১. ভর্তির জন্য মোট আসন সংখ্যার সমসংখ্যক একটি মূল তালিকা এবং একটি অপেক্ষমান তালিকা মেধা ও কোটা অনুসারে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
২. মূল তালিকা থেকে ভর্তির জন্য নির্ধারিত সময় সীমার মধ্যে আসন সংখ্যা পূরণ না হলে ভর্তিকৃত ছাত্র-ছাত্রীদের তাদের মেধা ও পছন্দের ক্রমানুসারে মাইগ্রেশনের (প্রতিষ্ঠান-টেকনোলজি) সুযোগ দিয়ে শূন্য আসনে অপেক্ষমান তালিকা হতে সময় সূচী অনুযায়ী কোটা ও মেধার ক্রমানুসারে ভর্তি করা হবে।
৩. কোটা সংরক্ষণঃ মহিলা -১০% আসন, এসএসসি(ভোক)-১৫% আসন, উপজাতি-ঢাকা,চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ –সুইডেন পলিটেকনিক ইনিষ্টিটিউটের প্রতিটিতে ৪ টি করে আসন ও অন্যান্য পলিটেকনিক ইনিষ্টিটিউটে ২ টি করে আসন এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের প্রতি টেকনোলজিতে প্রতি গ্রুপে ২ টি করে আসন এ মেধা ও আবেদন ফরমে বর্ণিত পছন্দের ভিত্তিতে কোটা সংরক্ষণ করে ভর্তি করা হবে।
২ বছর মেয়াদী ট্রেড কোর্স পাশ প্রার্থীদের জন্য লিখিত পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের সাথে ট্রেড এবং এসএসসি উভয় পরীক্ষায় প্রাপ্ত মোট নম্বরকে ৫০ এর মধ্যে রুপান্তর করে মেধা নির্ধারণ করা হবে। তাদেরকে ট্রেড সংশ্লিষ্ট টেকনোলজিতে ৫% সংরক্ষিত আসনে ভর্তি করা হবে।
৪. উপজাতি প্রার্থীদের উপজাতিয়তা প্রমানের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভার চেয়ারম্যান কতৃক প্রদত্ত সনদ পত্র, মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের কোটার জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর স্বাক্ষরিত সনদ পত্র এবং ২ বছর মেয়াদী ট্রেড কোর্সধারীদের সনদ পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি সহ ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্রের কপি নিকট বর্তী যে কোন পলিটেকনিক ইনিষ্টিটিউটের অধ্যক্ষের অফিসে ২২/০৭/২০১০ ইং তারিখের মধ্যে জমা দিতে হবে ।
(সংরক্ষিত আসন কোটা ভিত্তিক পূরণের পর কোন আসন শূন্য থাকলে তা সাধারন মেধা তালিকা হতে পূরণ করা হবে)
৫. ভর্তিকৃত ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে কেহ ক্লাস শুরুর ৭(সাত) কার্যদিবসের মধ্যে ক্লাসে অনুপস্থিত থাকলে তার ভর্তি বাতিল করতঃ উক্ত শূন্য আসনে পরবর্তী ৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে নির্বাচিত ও ভর্তিচ্ছুদের তালিকা হতে মেধার ক্রমানুসারে পূরণ করা হবে।
৬. ড্রপ আউট বিবেচনা করে প্রত্যেক টেকনোলজির জন্য নির্দিষ্ট আসন সংখ্যার সর্বাধিক ২০% অতিরিক্ত ছাত্র-ছাত্রীর ভর্তি করা হবে।
৭. নীতিমালার চুড়ান্ত ব্যাখ্যা প্রদানের ক্ষমতা কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর সংরক্ষণ করে
৬. ড্রপ আউট বিবেচনা করে প্রত্যেক টেকনোলজির জন্য নির্দিষ্ট আসন সংখ্যার সর্বাধিক ২০% অতিরিক্ত ছাত্র-ছাত্রীর ভর্তি করা হবে।
৭. নীতিমালার চুড়ান্ত ব্যাখ্যা প্রদানের ক্ষমতা কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর সংরক্ষণ করে
১. ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েব সাইট- www.techedu.gov.bd এ লগ ইন করে অন-লাইনে প্রদত্ত আবেদন ফরম যথাযথভাবে পূরণ করতে হবে । আবেদন ফরম পূরণের ধাপঃ
- Home page হতে application form open করতে হবে ।
- On screen এ প্রদর্শীত application form এর চাহিদা মোতাবেক তথ্যাদি লিপিবদ্ধ/নির্বাচন, entry/selection (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) করতে হবে ।
- Application form পূরণ শেষে Submit button এ ক্লিক করে ফিরতি message এর print out নিতে হবে । উক্ত print out এ প্রদত্ত Track no.ভর্তির রোল নং হিসেবে বিবেচিত হবে ।
- ফিরতি message অনুযায়ী ২৪ ঘন্টার মধ্যে ভর্তি পরীক্ষার ফি বাবদ ২০০/-(দুইশত) টাকা টেলিটক প্রি-পেইড মোবাইলের মাধ্যমে 16222 নম্বরে SMS করে জমা দিতে হবে ।
- ভর্তির ফরম পূরণের বিস্তারিত তথ্যাদি ওয়েবসাইট হতে print out নেয়া যাবে ।
২. ফি জমা দেয়ার পদ্ধতিঃ টেলিটকের Prepaid মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মেসেজ অপশনে গিয়ে DTE লিখে, স্পেস দিয়ে শিক্ষাবোর্ডের নামের প্রথম তিনটি অক্ষর লিখে, স্পেস দিয়ে এস এস সি(SSC) পরীক্ষার রোল নম্বর লিখে , স্পেস দিয়ে এস এস সি পাশের সাল লিখে ১৬২২২ নম্বরে এস এম এস(SMS) করতে হবেঃ
উদাহরণঃ DTEDHAXXXXXX2008
এখানে XXXXXX এর জায়গায় আবেদনকারীর নিজের এস এস সি পরীক্ষার রোল নম্বর লিখতে হবে । কেউ ২০০৯ সালে এস এস সি পাশ করে থাকলে ২০০৮ এর জায়গায় ২০০৯ লিখতে হবে । অন্যান্য বোর্ডের জন্য ঢাকা(DHA)-এর জায়গায় যথাক্রমে সিলেট(SYL), বরিশাল(BAR), চট্টগ্রাম(CHI), কুমিল্লা(COM), দিনাজপুর(DIN), যশোর(JES), রাজশাহী(RAJ), মাদ্রাসা(MAD), কারিগরি(BTE), লিখতে হবে।
উদাহরণঃ DTE
এখানে XXXXXX এর জায়গায় আবেদনকারীর নিজের এস এস সি পরীক্ষার রোল নম্বর লিখতে হবে । কেউ ২০০৯ সালে এস এস সি পাশ করে থাকলে ২০০৮ এর জায়গায় ২০০৯ লিখতে হবে । অন্যান্য বোর্ডের জন্য ঢাকা(DHA)-এর জায়গায় যথাক্রমে সিলেট(SYL), বরিশাল(BAR), চট্টগ্রাম(CHI), কুমিল্লা(COM), দিনাজপুর(DIN), যশোর(JES), রাজশাহী(RAJ), মাদ্রাসা(MAD), কারিগরি(BTE), লিখতে হবে।
- SMS –প্রেরণকারী আবেদনের যোগ্য হলে ফিরতি SMS –এ একটি PIN , প্রার্থীর নাম, পিতার নাম এবং পরীক্ষার ফি হিসেবে ২০০/- (দুইশত) টাকা কেটে রাখার তথ্য দিয়ে সম্মতি চাওয়া হবে। সম্মতি দেয়ার জন্য নিম্নোক্ত ভাবে ১৬২২২ নম্বরে SMS পাঠাতে হবে ।
উদাহরণঃ DTE
PIN নম্বরটি সঠিক ভাবে লেখা হলে উক্ত টেলিটকের prepaid মোবাইল থেকে পরীক্ষার ফি বাবদ ২০০/- (দুইশত) টাকা কেটে রাখা হবে এবং প্রার্থীকে একটি money receipt number নম্বর সহ ফিরতি SMS দেয়া হবে।
৩.একজন প্রার্থী যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যে টেকনোলজিতে ভর্তি হতে ইচ্ছুক তাহা প্রতিষ্ঠান–টেকনোলজি ভিত্তিক পছন্দের ক্রমানুসারে নির্বাচন করতে হবে ।
উদাহরণঃ ঢাকা-সিভিল, ঢাকা-ইলেকট্রিক্যাল, কুমিল্লা-সিভিল, এভাবে সর্বোচ্চ দশটি অপশন নির্বাচন করা যাবে।
৪. আবেদনপত্র Submission এর পরে একজন প্রার্থী নির্ধারিত ২০/০৬/২০১০ হইতে ১০/০৭/২০১০ তারিখের মধ্যে কেবলমাত্র একবার সংশোধনের সুযোগ পাবে ।
৫. মেধা, কোটা ও আবেদনপত্রে প্রদত্ত পছন্দের ক্রমানুসারে ইনষ্টিটিউট-টেকনোলজী ভিত্তিক ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হবে।
৬. প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য লিখিত পরীক্ষা (MCQ পদ্ধতিতে) নেয়া হবে।
লিখিত পরীক্ষার বিষয়সমূহ ও নম্বর বন্টনঃ বাংলা-৭, ইংরেজী-৭, গণিত-১৫, বিজ্ঞান-১৫, সাধারন জ্ঞান-৬, মোট-৫০ নম্বর ।
৭. লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থীকে ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্রের সাথে এস এস সি/সমমানের পরীক্ষার রেজিষ্ট্রেশন কার্ড অবশ্যই সঙ্গে আনতে হবে ।
PIN নম্বরটি সঠিক ভাবে লেখা হলে উক্ত টেলিটকের prepaid মোবাইল থেকে পরীক্ষার ফি বাবদ ২০০/- (দুইশত) টাকা কেটে রাখা হবে এবং প্রার্থীকে একটি money receipt number নম্বর সহ ফিরতি SMS দেয়া হবে।
৩.একজন প্রার্থী যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যে টেকনোলজিতে ভর্তি হতে ইচ্ছুক তাহা প্রতিষ্ঠান–টেকনোলজি ভিত্তিক পছন্দের ক্রমানুসারে নির্বাচন করতে হবে ।
উদাহরণঃ ঢাকা-সিভিল, ঢাকা-ইলেকট্রিক্যাল, কুমিল্লা-সিভিল, এভাবে সর্বোচ্চ দশটি অপশন নির্বাচন করা যাবে।
৪. আবেদনপত্র Submission এর পরে একজন প্রার্থী নির্ধারিত ২০/০৬/২০১০ হইতে ১০/০৭/২০১০ তারিখের মধ্যে কেবলমাত্র একবার সংশোধনের সুযোগ পাবে ।
৫. মেধা, কোটা ও আবেদনপত্রে প্রদত্ত পছন্দের ক্রমানুসারে ইনষ্টিটিউট-টেকনোলজী ভিত্তিক ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হবে।
৬. প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য লিখিত পরীক্ষা (MCQ পদ্ধতিতে) নেয়া হবে।
লিখিত পরীক্ষার বিষয়সমূহ ও নম্বর বন্টনঃ বাংলা-৭, ইংরেজী-৭, গণিত-১৫, বিজ্ঞান-১৫, সাধারন জ্ঞান-৬, মোট-৫০ নম্বর ।
৭. লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থীকে ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্রের সাথে এস এস সি/সমমানের পরীক্ষার রেজিষ্ট্রেশন কার্ড অবশ্যই সঙ্গে আনতে হবে ।
৮. ভর্তির জন্য নির্বাচিত ছাত্র-ছাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ভর্তি প্রক্রিয়া সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যাদি ২৯/৭/২০১০ তারিখে অধিদপ্তরের website এ পাওয়া যাবে ।
৯. Click on Apply online বাটন, দুটো অপশন প্রদর্শিত হবে New Application এবং update submitted form.১০. আবেদনকারী নতুন হলে new Application button এ click করবে।
১১. টাইপ Roll Number, Select Board Name, Select Passing year, Date of Birth তারপর verify Button এ Click করতে হবে। [ যদি আবেদনকারী জিপিএ ৩ এর বেশি এবং সাধারণ গনিত অথবা উচ্চতর গনিত এ জিপি ৩ এর বেশি হয় তাহলে আবেদনকারীর বিস্তারিত তথ্য নীচে প্রদর্শিত হবে।]
১২. বাধ্যতামূলক ফিল্ডগুলো (*) অবশ্যই পূরন করতে হবে ।
১৩. আবেদনকারী যদি একাধিক কোটাভূক্ত হয় তাহলে একাধিক কোটা Select করতে পারবেন।
১৪. সকল তথ্য সঠিক হওয়া সত্তেও আবেদন করতে অক্ষম হলে হেল্প লাইন এর প্রর্দশিত নাম্বারে অথবা ই-মেইলে যোগাযোগ করতে পারবেন।
১৫. আবেদনকারী সর্বোচ্চ দশটা Institute এর দশটা Department চয়েস করতে পারবেন।
১৬. আবেদনকারী একটি Institute এর মধ্যে দশটা Department অথবা একটি Institute এর কয়েকটি Department অথবা ভিন্ন Institute এর ভিন্ন Department চয়েস করতে পারবেন।
১৭. আবেদনকারী Choice Button এ Click করলে Institute এর নাম আসবে , Institute Select করলে এই Institute এর Department প্রদর্শিত হবে, চয়েস অনুযায়ী Student select করবেন এবং Save Choice এ অবশ্যই Click করতে হবে।Similarly Choice -2 Radio button করে ভিন্ন চয়েস করতে পারবেন।
১৮. আবেদনকারী চয়েস শেষ হয়ে গেলে Submit Button এ Click করতে হবে । তারপর Feedback form প্রদর্শিত হবে । যদি সব কিছু ঠিক থাকে তাহলে আবেদনকারী Save the form এ Click করবেন।
১৯. আবেদনকারীকে অবশ্যই Tracing ID টা নোট করে রাখতে হবে, কারণ এই Tracing ID টা পরবর্তীতে Written Test Admid card/Seat plan এ ব্যাবহার করতে হবে।
২০. ফরম Submit করার পর আবেদনকারী যদি তথ্য আপডেট করতে চান, তাহলে Apply online থেকে update Submitted form এ click করতে হবে এবং Tracing ID দিয়ে আবেদনকারী শুধু মাত্র একবার তথ্য আপডেট করতে পারবেন।
২১. ভর্তি পরীক্ষার বিস্তারিত তথ্য/ প্রবেশ পত্র, "ভর্তি পরীক্ষার আসন তথ্য" tab থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন Tracing ID ব্যাবহার করে।
২২. ছবির সর্বোচ্চ সাইজ ১৫০ kb এবং সর্বোচ্চ প্রস্থ, উচ্চতা যথাক্রমে ৩০০, ৩৬০ হতে হবে।
| লক্ষীপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট | |
| টেকনোলজি | আসন সংখ্যা |
| কম্পিউটার | ৪০ |
| ইলেকট্রনিক্স | ৪০ ৪০ |
| সিভিল | |
| কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট | |
| টেকনোলজি | আসন সংখ্যা |
| সিভিল | ৮০ |
| ইলেকট্রিক্যাল | ৪০ |
| মেকানিক্যাল | ৪০ |
| পাওয়ার (অটো) | ৪০ |
| ইলেকট্রনিক্স | ৪০ |
| কম্পিউটার | ৪০ |
| ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট | |
| টেকনোলজি | আসন সংখ্যা |
| সিভিল | ১৬০ |
| কম্পিউটার | ৪০ |
| ইলেকট্রিক্যাল | ৮০ |
| আর্কিটেকচার | ৪০ |
| মেকানিক্যাল | ৮০ |
| কেমিক্যাল | ৪০ |
| অটোমোবাইল | ৪০ |
| ফুড | ৪০ |
| রিফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং | ৪০ |
| এনভায়নমেন্টাল | ৪০ |
| ইলেকট্রনিক্স | ৪০ |
| ফেনী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট | |
| টেকনোলজি | আসন সংখ্যা |
| সিভিল | ৪০ |
| ইলেকট্রিক্যাল | ৪০ |
| মেকানিক্যাল | ৪০ |
| পাওয়ার (অটো) | ৪০ |
| ইলেকট্রনিক্স | ৪০ |
| কম্পিউটার | ৪০ |
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
.jpg
)










